আমার কারিগর অ্যাপে ইলেকট্রিশিয়ানদের প্রোফাইলে দেখুন কে হাউস ওয়্যারিং করেন, কে আইপিএস/সোলার বা জেনারেটরে অভিজ্ঞ, রেটিং কেমন, আর আগের কাজে সাধারণত কত খরচ হয়েছে। চ্যাটে সমস্যা ও ছবি পাঠান, দাম ঠিক করুন, তারপর বাসায় ডাকুন।
এই ক্যাটাগরিতে যা যা পাবেন
- ইলেকট্রিক ওয়্যারিং
- ফ্যান
- লাইট ও সুইচ
- আইপিএস/ইউপিএস
- জেনারেটর
- সোলার
- গিজার
Common problems – যে সমস্যাগুলো বেশি হয়
সিলিং ফ্যান ধীরে ঘোরে বা ঘোরে না
সবচেয়ে সাধারণ কারণ ক্যাপাসিটর দুর্বল হওয়া – সস্তা ও দ্রুত। এরপর বেয়ারিং ক্ষয় (শব্দ, কাঁপুনি), রেগুলেটর নষ্ট, বা কয়েল পুড়ে যাওয়া (রিওয়াইন্ডিং লাগে)।
ব্রেকার/এমসিবি বারবার ট্রিপ
কোনো লাইনে শর্ট, আর্থ লিকেজ (আরসিসিবি থাকলে), অতিরিক্ত লোড (এসি + গিজার + আয়রন একসঙ্গে), বা ব্রেকার নিজেই দুর্বল। কারণ না খুঁজে বড় ব্রেকার লাগানো বিপজ্জনক।
সুইচ, সকেট বা বোর্ড গরম, পোড়া গন্ধ
ঢিলে সংযোগ বা ক্ষমতার চেয়ে বেশি লোডে সকেট গলে যায়। এসি বা গিজারের জন্য আলাদা ভারী লাইন ও ২০-অ্যাম্প সকেট দরকার – সাধারণ বোর্ড থেকে নয়।
আইপিএস/ইউপিএস ব্যাকআপ দিচ্ছে না
ব্যাটারি শেষ (সাধারণত ২–৩ বছর), চার্জিং সার্কিট নষ্ট, ঢিলে টার্মিনাল, বা লোড বেশি। কারিগর ব্যাটারির ভোল্টেজ, পানির লেভেল ও ইনভার্টার চার্জিং দেখেন।
গিজার গরম করছে না বা শক দিচ্ছে
হিটিং এলিমেন্ট বা থার্মোস্ট্যাট নষ্ট; শক দিলে আর্থিং নেই বা এলিমেন্ট লিক – সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করুন। গিজারের লাইনে অবশ্যই আর্থিং ও আলাদা ব্রেকার দরকার।
নতুন ওয়্যারিং, লাইট ফিটিং ও পয়েন্ট
নতুন ফ্ল্যাটে ওয়্যারিং, পুরোনো অ্যালুমিনিয়াম তার বদল, এসি/ওয়াশিং মেশিনের নতুন পয়েন্ট, এলইডি লাইট, ডোরবেল, সোলার প্যানেল বা জেনারেটরের চেঞ্জওভার সুইচ বসানো।
What the technician checks
একজন অভিজ্ঞ ইলেকট্রিশিয়ান সাধারণত এই জিনিসগুলো ধাপে ধাপে দেখেন:
- মেইন বোর্ডে ভোল্টেজ, নিউট্রাল ও আর্থিং – টেস্টার ও মিটার দিয়ে
- ব্রেকারের রেটিং বনাম লাইনের লোড – কোন সার্কিটে কী লাগানো
- ঢিলে বা পোড়া সংযোগ – বোর্ড, জংশন বক্স, সকেট
- ফ্যানের ক্যাপাসিটর, রেগুলেটর, বেয়ারিং ও কয়েলের রেজিস্ট্যান্স
- আইপিএসের ব্যাটারি ভোল্টেজ, পানির লেভেল, চার্জিং কারেন্ট ও লোড
- গিজারের এলিমেন্ট, থার্মোস্ট্যাট, আর্থিং ও আরসিসিবি
- তারের সাইজ (১.৫/২.৫/৪ মিমি) এসি-গিজারের মতো ভারী লোডের জন্য যথেষ্ট কি না
How it works on AmarKarigor
Find – কাছের ইলেকট্রিশিয়ান
অ্যাপে “ইলেকট্রিক” বেছে নিন। দক্ষতা ট্যাগে দেখুন কে ওয়্যারিং, ফ্যান, আইপিএস, গিজার বা সোলারে কাজ করেন – Verified ব্যাজ ও রেটিংসহ।
Talk – লক্ষণ ও ছবি
কী হচ্ছে (ট্রিপ, গরম, শব্দ), কখন হচ্ছে, বোর্ডের ছবি – চ্যাটে দিন। কারিগর ভিজিট ফি ও সম্ভাব্য খরচ বলবেন; ওয়্যারিংয়ের কাজে দেখে তারপর দাম।
Fix – বাসায় কাজ
ইলেকট্রিকের প্রায় সব কাজ বাসায়। তার, সুইচ, ব্রেকার – কে কিনবে ঠিক করুন; ব্র্যান্ড (তারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে) জেনে নিন।
Review – রেটিং দিন
কাজের মান, দাম, সময় ও ব্যবহারে রেটিং দিন। ভালো ইলেকট্রিশিয়ানের রিভিউতেই পরের গ্রাহক নিরাপদ থাকেন।
Safety tips – নিজে করার আগে
- যেকোনো কাজের আগে মেইন সুইচ বন্ধ করুন এবং টেস্টার দিয়ে নিশ্চিত হন – শুধু সুইচ বন্ধ যথেষ্ট নয়।
- পোড়া গন্ধ বা ধোঁয়া – মেইন বন্ধ করুন, পানি দেবেন না, ইলেকট্রিশিয়ান ডাকুন।
- ব্রেকার ট্রিপ করলে বারবার চালু করবেন না; কারণটা খুঁজতে হবে।
- গিজার, ওয়াশিং মেশিন ও ফ্রিজে আর্থিং না থাকলে সেটা আগে ঠিক করান – শক থেকে মৃত্যু হয়।
- ভেজা হাতে বা খালি পায়ে সুইচবোর্ডে হাত নয়; বাথরুমের সুইচ বাইরে রাখুন।
- জেনারেটর বা সোলার থাকলে চেঞ্জওভার সুইচ বাধ্যতামূলক – নইলে লাইনে কাজ করা লাইনম্যানের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে।
What affects the price
ভিজিট ফি
এসে দেখার ফি প্রোফাইলে থাকে। ফ্যানের ক্যাপাসিটর বা সুইচ বদলের মতো ছোট কাজে অনেকে ভিজিট ফি + শ্রম একসঙ্গে বলেন।
শ্রম: পয়েন্ট বা ঘণ্টা হিসাবে
ওয়্যারিংয়ে সাধারণত “পয়েন্ট” হিসাবে (প্রতিটি সুইচ/সকেট/লাইট), মেরামতে কাজ অনুযায়ী। পুরো ফ্ল্যাটের ওয়্যারিং বড় কাজ – লিখিত হিসাব চান।
যন্ত্রাংশ ও ব্র্যান্ড
তার, ব্রেকার ও সুইচে ব্র্যান্ডভেদে দাম কয়েক গুণ – সস্তা তার আগুনের ঝুঁকি। আইপিএসের ব্যাটারি সবচেয়ে দামি অংশ; অ্যাম্পিয়ার-আওয়ার অনুযায়ী দাম।
ঝুঁকি ও অ্যাক্সেস
কনসিল্ড ওয়্যারিং, উঁচু সিলিং, বাইরের দেয়ালে কাজ – সময় ও ঝুঁকি বেশি, শ্রম বেশি। দেয়াল কাটতে হলে রাজমিস্ত্রির খরচ আলাদা।
আমরা কোনো নির্দিষ্ট দাম বলি না। অ্যাপে প্রতিটি কারিগরের প্রোফাইলে তাঁর আগে সম্পন্ন করা কাজের ভিত্তিতে “সাধারণত কত খরচ হয়” দেখানো হয় (অন্তত ৫টি কাজ থাকলে)। চূড়ান্ত দাম কাজ শুরুর আগে কারিগরের সঙ্গে চ্যাট বা কলে ঠিক করে নিন।